শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
ই-পেপার
Headline
Headline
এবার বাংলাদেশে ‘রহস্যময়’ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করোনাভাইরাস সাপাহারে গৃহহীনদের ঘর হস্তান্তর পূর্ববতী সংবাদ সম্মেলন বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবার উদ্বোধন করলেন মাননীয় মেয়র লিটন অবৈধভাবে স্কুল মাঠের সরকারি জমি ভোগদখল করে খাচ্ছে ভূমিদস্যুরা গলাচিপায় নদী ভাঙ্গনের সমস্যা থাকবে না। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী পীরগঞ্জে শালবাগান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়াতে আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সাপাহারে ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা আবার পেছাচ্ছে রহনপর পৌরসভায় শৌচাগার নির্মাণে ব্যপক অনিয়ম! কাজ বন্ধ করল সাধারণ জনগণ

লকডাউনে কিস্তি আদায়, বিপাকে ঋণগ্রহীতারা

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

লকডাউনের মধ্যে নিয়ামতপুর উপজেলার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঁঐল গ্রাম ও পার্শবর্তী বিভিন্ন গ্রাম এ কিস্তি আদায় করছেন বিভিন্ন এনজিওকর্মীরা। এতে বিপাকে পড়েছেন ঋণগ্রহীতারা। লকডাউনে সবকিছু বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন। তাদের ব্যবসা এখন মন্দা। কিস্তিতে ঋণ নিয়ে যারা ইজিবাইক, ভ্যান, চার্জার ভ্যান সহ বিভিন্ন যানবাহন কিনেছেন তারা সীমিত আয় দিয়ে কিস্তি পরিশোধ করেন। অনেকের ঘরে খাবার না থাকলেও কিস্তি দিতে হয়। এ অবস্থায় কিস্তি আদায় বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ঋণগ্রহীতারা।

এদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এনজিওকর্মীরা ঋণগ্রহীতার বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তি নিচ্ছেন। কোনো কোনো এনজিওকর্মী এক বাড়িতে টেবিল চেয়ার নিয়ে বসে সবার কাছ থেকে কিস্তি আদায় করছেন। এ সময় ঋণগ্রহীতা ও এনজিওকর্মীর মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। ছিল না সামাজিক দূরত্ব।

এনজিও গুলোর ভিতরে হলো “বীজ ও মধুমতী” বেশি চাপ দিচ্ছে । “বীজ” এর শাখা অফিস নাচোল উপজেলার নাচোল বাজারের পাশে ও “মধুমতী” হলো নাচোল উপজেলার রাজবাড়ী বাজার সংলগ্ন । লকডাউনের ভিতরে নাচোল থেকে নিয়ামতপুর উপজেলার ভিতরে প্রবেশ করে কিস্তি আদায়ের করছে নিয়মিত । যেখানে কঠোর লকডাউনে  সরকারি নির্দেশনা অমান্য করচে এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো ।

নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন ঋণগ্রহীতারা বলেন,আমাদের কোন রকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার হচ্ছে । অপরদিকে কিস্তির কর্মী বিভিন্নভাবে হয়রানী করছে ।  কিছু কিছু এনজিও কিস্তি আদায় বন্ধ রেখেছে তবে তারা মোবইল ফোনে বলে লকডাউন উঠে গেলে সব কিস্তি এক সাথে দিতে হবে । আবার কিছু কিছু এনজিও কর্মীরা বাড়িতে এসে জোরপূর্বকভাবে কিস্তি আদায় করছে ।  যা সবার পক্ষে কিস্তি দেওয়া অনেক কষ্টকর ।

নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন পরিবহনশ্রমিক জানান, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে প্রতি সপ্তাহে কিস্তি দিতে হয়। কিন্তু করোনার কারণে গাড়ি চালাতে পারছি না। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ধার করে সংসার চালাচ্ছি, কিস্তির টাকা দেব কীভাবে? কিস্তি আদায় করা বন্ধ রাখা উচিত।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এখন কিস্তি আদায় করা যাবেনা। যদি কোন এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলো জোরপূর্বকভাবে কিস্তি আদায় করে তাহলে আমারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৪৪,৯৭০
সুস্থ
৭৭৮,৪২১
মৃত্যু
১৩,৩৯৯
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
এক ক্লিকে বিভাগের খবর