মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
মধুপুরে জলছত্র সুপারকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নাটকীয়তার পর প্রেমিকার অধিকার আদায়ঃঅতপর দুই বধু এক স্বামী ময়মনসিংহে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করিয়ে ধর্ষণ মোহনপুর ইউপিতে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জয়নাল আবেদিন জনি মাঠে অনেক এগিয়ে লক্ষীপাশা জননী সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ডাক্তার ভূল অপারেশন করায় রোগীর মৃত্যু। মধুপুরের আকাশী এলাকায় অটোরিক্সা চাপায় মাদরাসা ছাত্র গুরুতর আহত ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,এক জনের জেল। ময়মনসিংহবাসীর জন্য ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন অফিসের সতর্কবার্তা। ময়মনসিংহের নান্দাইলে নারীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ,রক্তাক্ত শিশুর করুণ চিৎকারঃ মধুপুরে কুলি মজদুর ইউনিয়ন আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন

নড়াইল জেলার ঐতিহ্যবাহী তালগাছের ডোঙ্গার ইতিহাস

এনামুল হক / ১০ বার
সময় : শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৬:৪২ অপরাহ্ন

 

মোঃ এনামুল হক স্টাফ রিপোর্টার|

নড়াইল জেলার ঐতিহ্যগত তালগাছের ডোঙ্গারহাট চাচুঁড়ীয়া হাট এবং তুলরামপুর হাট ছিলো তৎকালিক বিখ্যাত বলে মনে করা হত|

নড়াইলের সুপরিচিত হাট এই হাটে নড়াইল জেলার মানুষ নয় দুর দুরান্ত হইতে সমাগম তালগাছের ডোঙ্গা কিনতে আসতো| বিশেষ করে নৌকা,ডোঙ্গা বর্ষাকালে ব্যবহৃত হত। অধিকাংশ বাড়িতে এই নৌকা, ডোঙ্গা পরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হত| বর্ষাকালে ডোঙ্গা দিয়ে আমনধানের ক্ষেতে বরশি দিয়ে পুঁটিমাছ ধরা হত|

তাছাড়া ও বর্ষাকালে ডোঙ্গার সাহায্যে বিল হতে শাপলা তোলা হয়| সেই সময় ডোঙ্গায় ছিলো বর্ষাকালের জন্য একমাত্র সঙ্গী বা গ্রামের বাহন|

অনেকেই বলেছেন ৭০কিংবা ৮০ দশকে নড়াইলের প্রতিটি পরিবারে বর্ষাকালের সময় প্রধান বাহন ছিলো ডোঙ্গা এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ডোঙ্গা|এখন ডোঙ্গা দুষ্প্রাপ্য স্বাধীনতার সময় এই ডোঙ্গায় চড়ে এক গ্রাম থেকে আর এক গ্রামে যেতো|সেই স্মৃতিময় সকলেরই মনে পড়ে|

নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়িয়া হাট এবং নড়াইল সদর উপজেলা তুলারামপুর হাট সপ্তাহে দুইদিন হাট হতো| এ হাটে তখন জনতার প্রচন্ড ভীড়াভীড় হতো সমাগমের মাধ্যমে আনন্দ ভোগ করিতো| আর বাড়ি বাড়ি যেয়ে কারিকর ডোঙ্গা তৈরি করতো|

 

বাদশা মিয়া শিকদার নামের একটি ভদ্রলোক বলেন আমার জন্ম চারিপাশে পানি বেষ্টনী গ্রাম নড়াগাতী থানা ডর বল্লাহাটি বর্ষাকালে ডিঙ্গি নৌকা আর তালের ডোঙ্গা ছিলো একমাত্র বাহন তিনি আপসোস করে বলেন হায়রে ডোঙ্গা হায়রে মাছ কোথায় গেল হারিয়ে|

 

সেলিম উল্লাহ পাপ্পু বলেন ডোঙ্গা ব্যবহারের বর্ননা দিয়ে বলেন বোধ করি ডোঙ্গা প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানায়|

 

কেএম জুলহাস বলেন চমৎকার পরিবহন বড়ই আনন্দ দেয় এখন বড়শি দিয়ে পুটিমাছ ধরে তার একমাত্র পরিবহন হল ডোঙ্গা| হাটে দুর হতে ক্রয় করার জন্য সমাগম হত মানুষের ভীড়াভীড়|

 

একটি বড় তালগাছ দুখন্ড করে দুইটি ডোঙ্গা তৈরি করতো|ডোঙ্গার দাম ছিলো ৩হাজার থেকে ৭হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতো| বর্ষাকাল শেষে খালে কিংবা পুকুরে ডুবিয়ে রাখা হত। দুর থেকে আত্মীয় স্বজনের বেড়াইতে আসতো ঐতিহ্যবাহী ডোঙ্গায় করে|

 

লোহাগড়া উপজেলা দিঘলিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কুমড়ী গ্রামে তৎকালীন সময় নৌকা এবং ডোঙ্গার প্রভাব বেশি ছিলো| কুমড়ি এবং চাঁচুড়িয়ার বড় একটা বিল| বিল থেকে ধান কেটে আনার জন্য ব্যবহার করতো নৌকা ও ডোঙ্গা|একটি ফসল উৎপাদন হত সেটি হল ধান| তখন মানুষের অভাব ছিলো তারপর ও একটা আনন্দ ছিল মনে এখন সেই আনন্দ দিন দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে ডোঙ্গার মতন| বিল থেকে শাপলা আর মাছ নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল|এখন ডোঙ্গার সংখ্যা কম তবে নৌকা বাড়িতে বাড়িতে আছে|

 

বর্তমান সে ঐতিহ্যবাহী ডোঙ্গা বিলীন হয়ে গেছে তেমন একটা দেখা যায় না| নড়াইলের ঐতিহ্যময় ডোঙ্গা নিয়ে ডা.এনামুল হক(সাংবাদিক)তার নিজের ভাষায় ডোঙ্গার ইতিহাস তুলেন ধরলেন|


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর....

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৪৫,৮০০
সুস্থ
১,৫০৪,৭০৯
মৃত্যু
২৭,২৭৭
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,৫৬২
সুস্থ
১,৬০৩
মৃত্যু
২৬
স্পন্সর: একতা হোস্ট
এক ক্লিকে বিভাগের খবর